‘শিক্ষা’ একটি ব্যপক প্রক্রিয়া। ‘শিখন’ একটি অবিচ্ছিন্ন পদ্ধতি। শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত প্রত্যেক সদস্যর শিক্ষার সূচনা, ইতিহাস জানার পাশাপাশি বর্তমান বিশ্বের শিক্ষা বিষয়ক পরিকল্পনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য—২০৩০—এর ঘোষণা বর্তমান বিশ্বের মূল চালিকাশক্তি। টেকসই উন্নয়ন—২০৩০—এর ১৭টি সুস্পষ্ট লক্ষ্যের মধ্যে ৪নং হলো শিক্ষার জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ‘FPG’ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য—৪—এর সুস্পষ্ট ধারণা সম্পর্কে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সদস্যদের সচেতন করে লক্ষ্য অর্জনে সরাসরি(Offline) বা অনলাইন (Online)—এ ট্রেনিং প্রদান করে থাকে।
সার্ভিস (Service)/সেবাগুলো হলো: (দলীয় কার্যক্রম):
- ‘শিক্ষায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য—৪ অর্জন বিষয়ক প্রশিক্ষণ’;
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য—৪ ‘মানসম্পন্ন শিক্ষা’ অর্জনে সাধারণ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন বিদ্যালয়গুলোতে একীভূত, ন্যয্যতা ভিত্তিক, জীবনব্যাপী শিখন বৈশিষ্ট্যসম্পন শিক্ষার বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ’;
উদ্দেশ্য সমূহ:
- সাধারণ শিক্ষা, একীভূত শিক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ২০৩০ সংজ্ঞায়িত করতে পারবেন;
- উপরে শব্দগুলোকে নিজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে পারবেন;
- শিক্ষার্থীদের শ্রেণীবিভাগ করতে পারবেন;
- সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী পাঠ পরিকল্পনা তৈরী করতে পারবেন;
- বিভিন্ন ধরণের শিখন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন;
- সকল শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী শিখন পদ্ধতি নির্বাচন করতে পারবেন;
- সকল শিক্ষার্থীদের একসাথে উপযোগী শিখন উপকরণ (Audio, Visual, Sensor) তৈরি করতে পারবেন;
- একই শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থানুযায়ী অথ্যাৎ ন্যয্যতা অনুযায়ী একই সাথে পাঠদান করতে সক্ষম হবেন;
- একীভূত শিক্ষার জন্য শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারবেন
- শ্রেণিকক্ষে সকল শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারবেন;
- শ্রেণীকক্ষে পাঠদান শেষে পাঠ উদ্দেশ্যের সাথে মূল্যায়নের তুলনা করতে পারবেন;
- বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে পড়ার কারণ চিহ্নিত করতে পারবেন;
- শিক্ষক প্রতিটি শিক্ষার্থীর সাথে সুন্দর সম্পর্ক স্থাপন করতে শিখবেন;
- বিদ্যালয়ে একীভূত শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করতে শিখবেন;
- বিদ্যালয়ে মানসম্পন্ন শিক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য—৪ অর্জনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে পারবেন;